৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি · প্রশ্ন ১৩৭
Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ______ অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে।
- ৩১
- ৩২
- ৩৪
- ৩৩সঠিক উত্তর
উত্তর: (ঘ) ৩৩
ব্যাখ্যা
→ হেবিয়াস কর্পাস রিট দায়ের করা হয় অবৈধ আটকের বিরুদ্ধে, যা সংবিধানের গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কিত রক্ষাকবচের সঙ্গে সম্পর্কিত।
♦ Habeas Corpus writ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) অনুসারে যে কোনো ব্যক্তি এই রিটের আবেদন করতে পারেন।
- এর মাধ্যমে আদালত যাচাই করে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে কি না।
- আদালত আটককারী কর্তৃপক্ষকে আটক ব্যক্তিকে হাজির করতে এবং আটকের আইনগত কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেয়। আটক বৈধ না হলে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
♦ অনুচ্ছেদ ৩৩ – গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
- গ্রেপ্তারের কারণ না জানিয়ে প্রহরায় আটক রাখা যাবে না; আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের অধিকার থাকবে।
- গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
- বিদেশী শত্রু এবং নিবর্তনমূলক আটক আইনের অধীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই রক্ষাকবচ প্রযোজ্য নয়।
- নিবর্তনমূলক আটক ছয় মাসের বেশি হলে উপদেষ্টা-পর্ষদের রিপোর্ট প্রয়োজন।
♦ উল্লেখ্য:
- অনুচ্ছেদ ৩১ – আইনের আশ্রয়লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ – জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ – জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
একই টপিকের আরও প্রশ্ন
- কোন অনুচ্ছেদ মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়?৪৭তম বিসিএস
- বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি-৪৭তম বিসিএস
- 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে-৪৭তম বিসিএস
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?৪৬তম বিসিএস
- বাংলাদেশ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন?৪৬তম বিসিএস
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?৪৫তম বিসিএস